বসুন্ধরা সিটি মার্কেটে মুঠোফোন বিক্রেতাদের বিক্ষোভের মুখে মহাব্যবস্থাপকের পদত্যাগ
মুঠোফোন বিক্রেতাদের তোপের মুখে বুধবার বিকেলে পদত্যাগ করেছেন বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের মহাব্যবস্থাপক রবিউল ইসলাম ও ইনচার্জ মহসিন করিম। এছাড়াও মুঠোফোন বিক্রেতাদের দোকান বেসমেন্ট স্থানান্তরের সময় দায়িত্বে থাকা মঞ্জুর আলম নামের এক কর্মচারিকে ঘুষ বাণিজ্যের কারণে প্রত্যাহার করে নিয়েছে বসুন্ধরা কতৃপক্ষ।
এমন সিদ্ধান্তের পর ফের দোকানে ফিরেছেন রাজধানীর পান্থপথে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ করী বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের মুঠোফোন দোকানের মালিক ও কর্মচারীরা।
সূত্রমতে, সন্ধ্যায় মোবাইল বিক্রেতাদের একটি প্রতিনিধিদল বসুন্ধরা সিটি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন। বৈঠকে চুক্তিপত্রের চেয়ে বহুগুণ বেশি ভাড়া ধার্য, সার্ভিস চার্জ বাড়ানোর পাশাপাশি মোবাইল মার্কেটকে হঠাৎ করে আন্ডারগ্রাউন্ডে (বেজমেন্ট) পাঠানোর বিষয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আন্দোলন আগামীতেও চলবে কি না সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
বেসমেন্ট দোকান আছেন এমন একজন ব্যবসায়ী নাম ডিজিবাংলা-কে জানিয়েছেন, আগে ভাড়া চুক্তি থাকলেও ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা বর্গফুট ভাড়ার প্রলোভন দেখিয়ে আমাদের বেজমেন্টে নামিয়ে বসুন্ধরা কতৃপক্ষ। কিন্তু এখন প্রতি বর্গফুট বেসমেন্ট ১ এ ভাড়া তিন থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা পর্যন্ত ধার্য করা হয়েছে। বেসমেন্ট ১ এ ভেতরে থাকলে ২০০০ টাকা; সামনে থাকলে ৩ থেকে ৫০০০ টাকা নিচ্ছে। বেসমেন্ট ২-এ গড়ে ১২০০ টাকা ভাড়া ধরা হয়েছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়ার নয়। তাই আমরা মাঠে নেমেছিলাম।
বসুন্ধরা সিটির একাধিক ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমরা বাধ্য হয়ে রাস্তায় নেমেছি। চুক্তি অনুযায়ী প্রতি বর্গফুটের ভাড়া ২০০ টাকা হলেও নেওয়া হয় তিন থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা পর্যন্ত। ভাড়া নেওয়ার পর রসিদ হিসেবে একটি ফটোকপি করা কাগজ দেওয়া হয়। আমরা অত্যাচারের শিকার। আর তাই সোমবার বেলা ১১টা থেকে বিক্ষোভে মোবাইল ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি পুরো মার্কেটের ব্যবসায়ীরাও অংশ নিয়েছিলেন।







